নেত্রকোনায় কেন্দুয়ায় মুখে গামছা বেঁধে কিশোরীকে রাতভর ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত: 3:19 PM, October 17, 2019

 দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট : নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রামপুর বাজারে। এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মেয়েটি বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে মামলার তিন আসামিকেই গ্রেপ্তার করেছে।

আজ বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া নির্যাতিতা মেয়েটিকেও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনে কথা বলার সূত্র ধরে উপজেলার রামপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে জনি নামে এক কিশোরের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দুর্গাপুর উপজেলার এক কিশোরীর (১৪) পরিচয় ঘটে। এ অবস্থায় গত ১২ অক্টোবর দুপুরে জনি কৌশলে মেয়েটিকে নেত্রকোনা শহরে ডেকে আনে। এরপর সেখান থেকে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সন্ধ্যার দিকে রামপুরবাজারে নিয়ে আসে। রাত পৌনে ৯ টার দিকে বাজারের মাছের আড়তের একটি ঘরে জনি (১৯), তার সহযোগী জয় (১৮) ও হযরত আলী (২৪) মেয়েটিকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরদিন সকালে সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অন্যদের জানায়। তাছাড়া বিষয়টি দুর্গাপুর থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার মেয়েটি কেন্দুয়ায় থানায় এসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (নারীর শ্লীলতাহানি, ধর্ষণ ও সহায়তা করার অপরাধ) দায়ের করা ওই মামলায় জনি, জয় ও হযরত আলীকে আসামি করা হয়েছে। এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকেই গ্রেপ্তার এবং বুধবার তাদের আদালতে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, মামলার তিন আসামিকেই ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকেও নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।