গোপালগঞ্জে বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: 7:43 PM, June 14, 2020
জাগ্রত বাংলাদেশ
গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কেকানিয়া গ্রামে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে তাকে রাষ্ট্রিয় মর্যাদা দেয়া হয়। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ জেলাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সাধরণ মানুষ ভিড় করেন তার বাড়িতে। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটলো তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের।
গোপালগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হবার মধ্যদিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এরপর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হবার পাশাপশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি হয়েছিলে। পরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হয়ে ধর্ম মন্ত্রাণলয়ে কাজ করেছেন। সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যেতেন খুব সহজে। সকলকেই আপন করে নিতে তিনি।
তার মরদেহ বিকাল সাড়ে ৪টায় নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে কেকানিয়া শাসছুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে নেয় হয়। পরে সেখানে তাকে রাষ্ট্রিয় সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
পরে একই মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা আওয়ামী লীগ ও দলীয় নেতাকর্মীরা তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এসময় জেলা আওয়াশী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানসহ দলীয় নেতাকর্মীরা ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা তার কবরে মাটি দেন। এর আগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি দল তার কবর খোড়েন।
জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদ বদরুল আলম বদর বলেন, তার মৃত্যুতে গোপালগঞ্জে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। এ শূন্যতা আর পূরণ করা সম্ভব নয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান বলেন, ধর্মীয় সকল নিয়ম মেয়ে তাদের পারিবারিক কবর স্থানে মা বার কবরের পাশে দাফন করা হয়। তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জবাসী একজন গণমানুষের রাজনৈতিক ব্যক্তিকে হারোলো।