মাস্ক পরা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন নির্দেশনা

প্রকাশিত: 2:32 PM, June 6, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মাস্ক পরা নিয়ে নিজেদের উপদেশ পরিবর্তন করেছে। এখন তারা বলছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ থামাতে পাবলিক প্লেসে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।

ডব্লিউএইচও বলছে, মাস্ক পরলে ‘জীবাণু বহনকারী ড্রপলেট’ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে নতুন গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ যাবত চালানো গবেষণার ওপর ভিত্তি করে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিশ্বের বেশ কিছু দেশ এর মধ্যেই প্রকাশ্য স্থানে মাস্ক পরার উপদেশ দিয়েছে। কিছু দেশে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলকও করা হয়েছে।

কভিড-১৯ এর টেকনিক্যাল বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মারিয়া ভ্যান কেরখোভ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘যেসব জায়গায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে সেসব জায়গায় মানুষকে ‘কাপড়ের মাস্ক – যেটি মেডিকেল মাস্ক নয়’ পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

ডা ভ্যান কেরখোভ বলেন, ‘আমরা সব দেশের সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছি যেন তারা জনসাধারণকে মাস্ক পরতে উৎসাহিত করেন।’

পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিও বলছে, অনেক রকম সুরক্ষা উপকরণের মধ্যে মাস্ক একটি। তবে মানুষ যেন মনে না করে যে মাস্ক পরলে তিনি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে নিশ্চিতভাবে সুরক্ষিত থাকবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিচালক টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস বলেন, ‘শুধু মাস্ক কখনো আপনাকে কভিড-১৯ থেকে সুরক্ষিত রাখবে না।’

তারা বলছে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণায় উঠে আসা তথ্যের – উপসর্গ প্রকাশের আগের কয়েকদিন মানুষ ব্যাপক আকারে সংক্রমণ করতে পারে, আবার অনেকে ভাইরাস আক্রান্ত হলেও কোনো উপসর্গই দেখা যায় না তাদের মধ্যে – ভিত্তিতে নতুন নির্দেশনা তৈরি করেছে তারা।

কাজেই যেসব জায়গায় দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব নয়; যেমন – গণপরিবহন, শরণার্থী শিবির, জনবহুল দোকানপাট – সেখানে ঘরে তৈরি করা মাস্ক পরলে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

যাদের বয়স ষাটের ওপর এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তারা আরও উন্নত মেডিকেল গ্রেড মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল – সুস্থ মানুষের মাস্ক পরার প্রয়োজন আছে, এ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। -বিবিসি