জাবেদকে চিকিৎসার জন্য১০ লাখ টাকার অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: 2:34 PM, June 2, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

ঢাকাই সিনেমার স্বনামধন্য নৃত্যপরিচালক ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস জাভেদকে চিকিৎসার জন্য নগদ ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাভেদের অসুস্থতায় তার পরিবারের আর্থিক সংকটের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গত ১৯ মে জাভেদকে নগদ ১০ লাখ টাকা অনুদান দেন প্রধানমন্ত্রী।

এই বিষয়ে সহধর্মিনী ডলি জাভেদ জানান, মূত্রথলিতে টিউমার থেকে তা ক্যান্সার পর্যায়ে রূপান্তরিত হয়ে যাবার কারণে গত দেড় মাস আগে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে তার অপারেশন হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আর্থিক এই সহযোগিতা পেয়ে জাভেদ বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সত্যিকারের একজন মমতাময়ী মা। যা এতদিন শুনেছি কিন্তু এবার সেটা দেখেছি। এই আর্থিক সহযোগিতা না পেলে আমি শেষ হয়ে যেতাম। দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের মমতাময়ী এই মাকে সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেন আরও সম্মানিত হন।

জাভেদের স্ত্রী ডলি জাভেদ বলেন, করোনাভাইরাসে সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে যখন চারিদিকে অন্ধকার, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ভালবাসা স্বরূপ নগদ দশ লাখ টাকা যেন আমাদের জীবন বাঁচিয়েছে। আমরা আজীবন তার কাছে কৃতজ্ঞ।

১৯৭০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন জাভেদ। নায়ক হিসেবে জাভেদের অভিনয় করা সিনেমার মধ্যে উল্লেখ্য, মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহাজাদা, রাজকুমারী চন্দ্রবান, সুলতানা ডাকু, আজো ভুলিনি, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নিশান, বিজয়িনী সোনাভান, রূপের রানী, চোরের রাজা, তাজ ও তলোয়ার, নরম গরম, তিন বাহাদুর, জালিম, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, রাজিয়া সুলতানা, সতী কমলা, বাহারাম বাদশা, আলাদিন আলী বাবা, সিন্দাবাদ প্রভৃতি।

জাভেদের জন্ম ১৯৪৪ সালে আফগানিস্তানে। পরে তারা পেশোয়ার হয়ে পাঞ্জাবে চলে আসেন। বাবা ধর্মপরায়ণ থাকায় ছেলের সিনেমা দেখা, গান শোনা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব হয়।

পরে বাবা-মাকে না জানিয়ে জাভেদ পাঞ্জাব ছেড়ে চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) ঢাকায়।