কাউন্সিলর খোরশেদ ও তার স্ত্রীকে স্কয়ারে ভর্তির ব্যবস্থা করলেন শামীম ওসমান

প্রকাশিত: 8:19 PM, June 1, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ উপাধি পাওয়া নাসিকের কাউন্সিলর কারোনায় আক্রান্ত খোরশেদ ও তার স্ত্রী লুনাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন শামীম ওসমান। শনিবার রাত থেকে খোরশেদের স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাঁচপুরের সাজেদা হাসপাতালে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছে। স্ত্রী লুনার জন্য একটু আইসিইউ সাপোর্ট পেতে শনিবার রাত থেকে রবিবার দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন স্বামী খোরশেদ।

রবিবার বিকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে খোরশেদ স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেন, “অবশেষে আমি ও আমার স্ত্রী ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি”।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় কাউন্সিলর খোরশেদ মুঠোফোনে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “আমি এখন স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছি।

এখানে আমার স্ত্রীকে আইসিইউ সাপোর্ট দেয়া হবে ইনশাল্লাহ। আমি এই ভর্তির বিষয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এমপি শামীম ওসমানের প্রতি। করোনা নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়।

 

এটা মানবতা প্রদর্শনের সময়। এমপি শামীম ওসমান আমার স্ত্রীর অবস্থা সংকাটাপন্ন শুনে মোবাইলফোনে রবিবার দুপুরে যোগাযোগ করে স্কয়ার হাসাপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা করেছেন। এমপি বলেছেন, খোরশেদ তুমি দ্রুত তোমার স্ত্রীকে নিয়ে স্কয়ারে চলে যাও। এটা রাজনীতির সময় নয়। এটা একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সময়।

এটা একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সময়। তুমি যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছো। তোমার এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমারও দায়িত্ব তোমার ও তোমার স্ত্রী পাশে দাঁড়ানো”।খোরশেদ আরও বলেন, “দয়া করে এ নিয়ে কোনো রাজনীতি করবেন না প্লিজ। আমি বিএনপি করি। শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের এমপি। এখানে কে কোন দলে করে। কার প্রতি কে সহাযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল এগুলো নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করবেন না। এখন মানবতার সময়।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান রবিবার বিকাল পৌনে ৫ টায় মুঠোফোনে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “আমি সবার আগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আল্লাহর। পরে বলব আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও আমার মাতৃতুল্য নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল- কে কোন দল করে তা নয়। করোনায় মানবতার ভালোবাসা পৌঁছে দিতে হবে বাংলার প্রত্যেকটি ঘরে। খোরশেদ কোন দল করে এটি কোনো বিষয় নয়। সেও মানুষের সেবায় অনেক কাজ করে যাচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে এখন দেখার বিষয় হচ্ছে ওর স্ত্রীর অবস্থা ভালো নয়। আর সেই পরিস্থিতিতে আমাদের সকলের উচিত বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এটা আমার ও সকলের দায়িত্ব। শুধু খোরশেদ বা তার স্ত্রী-ই নয়, এর আগেও স্কয়ার হাসপাতালে অনেক সংকাটপন্ন রোগীকে জরুরি চিকিৎসা নিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি”।

তিনি বিশেষ করে স্কয়ার হাসপাতালের মালিক অঞ্জন চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করে বলেন, “ শুধু খোরশেদ ও তার স্ত্রী এই দুই রোগীর বিষয়ে নয়, এই হাসপাতালটি করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। অন্যান্য রোগী পাঠিয়েও আমি সহযোগিতা পেয়েছি এই হাসপাতালটি থেকে। তাদের প্রতি মনের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।