শিমুলিয়া নৌরুটে করোনা ক্রান্তিকালে ঘরমুখী মানুষের ঢল

প্রকাশিত: 6:10 PM, May 16, 2020

জাগ্রত বাংলাদেশ

করোনাভাইরাসের প্রাদূর্ভাবের মধ্যে যেখানে দেশের সরকার কাজ করে যাচ্ছে এই মারণভাইরাসে সংক্রমণ প্রতিরোধে সেখানে ঈদকে সামনে রেখে সামাজিক দূরত্ব না মেনেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটে।

শনিবার (১৬ মে) ভোর থেকেই এই নৌরুট দিয়ে শত শত যাত্রী পারাপার হতে দেখা গেছে।

সরজমিনে দেখা যায়, বাস বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে যাত্রীরা মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, লেগুনা, মোটরসাইকেল ও উবারের অফলাইনের গাড়িতে করে শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। আর শিমুলিয়া ঘাটে লঞ্চ, সিবোট বন্ধ থাকায় শত শত লোক ফেরিতে গাদাগাদি করে পার হওয়ায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাবার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

অন্যদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের কলকারখানা ও গার্মেন্টসে কর্মরত যাত্রীরা ভ্যান, মোটরসাইকেল করে ঢাকার উদ্দেশ্য কাঁঠালবাড়ি ঘাটে এসে ভিড় জমাচ্ছেন।

এই বিষয়ে মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম মিয়া জানান, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর এই নৌ-রুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০টির চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আর বাকি ৭টি ফেরি জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ও সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পারাপারের সীমিত আকারে চলাচল করতো। যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন চালু রয়েছে ১২ থেকে ১৪টি ফেরি।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ পরিদর্শক সিরাজুল কবির জানান, খুব সকালে প্রচন্ড রকেমের যাত্রীদের ভিড় থাকায় শিমুলিয়া মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ ব্যারিকেট দিলে ভিড় কমে আসে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শনিবার ভোরে যাত্রীদের চাপ বেশি থাকার কারণে ১৩টি ফেরি চলাচল করেছে।

মোটরসাইকেল নিয়ে রাজধানী ঢাকা থেকে ফরিদপুরগামী মুরসালিন আহমেদ বলেন, সরকার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে দেবার কারণে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।