কালীগঞ্জে রাস্তায় গাছ ফেলে ডাকাতি, আটক ৮

প্রকাশিত: 7:39 PM, December 4, 2019

জাগ্রত বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: টঙ্গী-কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের বাঘেরপাড়া নামকস্থানে ডাকাতরা গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে বিভিন্ন গাড়ি গতিরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর, চালক ও যাত্রীদের নিকট থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য জিনিসপত্র লুন্ঠন করার অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৮ সদস্যকে আটক করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। আটককৃত ডাকাতদলের হেফাজত থেকে ১২টি মোবাইল, নগদ ৫হাজার ৬শত ৫৫ টাকা, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি দা, একটি চাপাতি, পাঁচটি লাঠি ও একটি নাইলনের রশি উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ওই ৮ জন ডাকাতকে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুল হক জানান, গত ৩০ নভেম্বর রাত ১টার দিকে কালীগঞ্জ-ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের ব্রিজের পশ্চিম পাশে ফাঁকা জায়গায় রাস্তায় গাছ ফেলে বিভিন্ন গাড়ি থামিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্যরা ডাকাতি করতে থাকে। এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আশাদুজ্জামান নরসিংদীতে প্র্যাকটিস শেষে ঢাকা যাওয়ার পথে উক্ত স্থানে পৌছলে ডাকাতরা চিকিৎসক আশাদুজ্জামানের গাড়ি থামিয়ে তার কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল সেট, এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেয়। পরেরদিন সকালে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কালীগঞ্জ থানায় ওই চিকিৎসক বাদী হয়ে ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ২। এরই সূত্র ধরে মোবাইল ট্যাকিংয়ের মাধ্যমে ঢাকার ফকিরাপুলের আজমেরী হোটেলে ডাকাতদের অবস্থান জানা যায়। পরে কালীগঞ্জ -কাপাসিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্তের নির্দেশে ওসি একেএম মিজানুল হকের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকার ফকিরাপুলের আজমেরী হোটেলে অভিযান চালিয়ে ডাকাতদলের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে আরোও ৪ ডাকাতদলের সদস্যকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন-হবিগঞ্জ জেলার চুনারঘাট থানার পান্ডরাইল গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে মো. সবুজ মিয়া (৪৫), ময়মনসিংহ জেলার দুবাউড়া থানার গোস্তাবহলী গ্রামের ফজর আলীর ছেলে সুমন মিয়া (২৮) ও গৌরিপুর থানার হারুনের ছেলে শামীম (২০), ব্রাক্ষণবাড়িয়ার জেলার বিজয়নগর থানার আবু জাহেরের ছেলে এমদাদুল হক (২৭), নাসিরনগর থানার আকবর হোসেনের ছেলে শিপন (২৪) ও সদর থানার আসাদ মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম (২০), সুনামগঞ্জ জেলার দুয়াউরা থানার জনাব আলীর ছেলে বশির আহমেদ (৩৫), চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার মাসুদুর রহমানের ছেলে তানভীর (২১)।