বারি’তে ফল-সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: 4:57 PM, November 29, 2019

জাগ্রত বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর কীটতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আজ ২৯ নভেম্বর শুক্রবার “জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ফল ও শাক-সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক দিনব্যাপী শিক্ষকদের জন্য এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ডের ১৫টি স্কুল ও মাদ্রাসার ১০৫ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। সকালে বারি’র মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

বারি’র কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. দেবাশীষ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. বাবু লাল নাগ এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. ফিরোজা খাতুন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বারি’র বিভিন্ন বিভাগের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কীটতত্ত্ব বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আখতারম্নজ্জামান সরকার। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কর্মশালায় অংশ নেয়া ৫ জন শিক্ষক তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বারি’র মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের মানুষকে নিরাপদ ও পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে। সরকারের সেই লক্ষ্য অর্জনে বারি’র বিজ্ঞানীরা কাজ করে চলেছে। নিরাপদ খাদ্য এখন মানুষের অধিকার। দেশে বিভিন্ন জায়গায় যে শাক-সবজি উৎপাদন হচ্ছে তাতে প্রচুর পরিমাণে কীটনাশকের ব্যবহার হচ্ছে।

তিনি বলেন,ফসলে অধিক পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহার করলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এজন্য আমাদের জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে। এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা যেমন নিরাপদ থাকবো তেমনি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বাস্থ্যঝুকি কমে আসবে। তাই আমরা আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছি। আমি আশা করি এখানে উপস্থিত শিক্ষকরা আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে এ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করবেন এবং তা শিক্ষার্থীরা ও অভিভাবকসহ সকলের কাছে পৌছে দেবেন।

দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষণার্থীরা ফল ও শাক-সবজির পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশকের গুরম্নত্ব, বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের পরিচিতি, ক্রিয়ার ধরন, ক্ষতির ধরন, এদের দমনে জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক সহজ পদ্ধতি এবং ফল ও শাক-সবজি হতে বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশ দূরীকরণ পদ্ধতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করেন।