গাজীপুরে ডাকাতি হওয়া ১৭টি গরু-মহিষ সহ ডাকাত দলের দুইজন আটক

প্রকাশিত: 5:24 PM, May 25, 2021
নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরে ডাকাতি হওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ১৫টি গরু ও দুটি মহিষ উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত আবুল কাশেম (৪৩) ও মনির হোসেন (২৫) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ মঙ্গলবার দুপুরে তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, সোমবার ভোর চারটার দিকে মো. রিমন হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী রাজশাহী সিটি হাট থেকে ১৬টি গরু ও দুটি মহিষ নিয়ে মুন্সিগঞ্জ যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈর চন্দ্রা ফ্লাইওভারের পাশে আসলে একটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে।

বিকেলে ওই স্থানে ট্রাকটি থামালে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে ৭-৮ জন ডাকাত অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এবং নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে গরুর ট্রাকে থাকা সকলকে মারধর ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

ডাকাতদের মধ্য থেকে ওই গরু ভর্তি ট্রাকটি নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়। ডাকাতরা গরুর ব্যাপারীদের হাত-পা বেঁধে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

খবর পেয়ে গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আমির হোসেনের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন সোর্সের খবরের ভিত্তিতে ঢাকার তুরাগ থানার বিয়েবাড়ির জনৈক আবুল কাশেমের গরুর খামার থেকে ১৫টি গরু ও দুইটি মহিষ উদ্ধার করেন।

ডাকাতি হওয়া একটি গরু অসুস্থ হয়ে মারা যায়। এ সময় ওই ফার্মের মালিক মো. আবুল কাসেম ও মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আসামিদের গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংকালে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রাব্বানী শেখ, মো. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আল মামুন ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. আমির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গরু চুরি ও ডাকাতি রোধে জেলায় সড়ক-মহাসড়ক গুলোতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। গাজীপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত অন্য জেলাগুলোর সঙ্গেও সমন্বয় করা হচ্ছে।

এ ছাড়া যে সব খামারিরা চোরাই ও ডাকাতি করা গরু ক্রয় করে থাকেন তাদের উপরও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।